কারণ ছাড়াই বাড়ছে বিডি অটোকারসের শেয়ারদর

সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ (বিডি) অটোকারস লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে।

এ দরবৃদ্ধির পেছনে অপ্রকাশিত কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চিঠির জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে প্রকৌশল খাতের কোম্পানিটি।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে গত ৮ মার্চ কোম্পানিটির শেয়ারের সমাপনী দর ছিল ১২৬ টাকা ১০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির দর দাঁড়িয়েছে ১৭৮ টাকা ৯০ পয়সায়। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ৪১ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বিডি অটোকারসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৩৫ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বিডি অটোকারসের ইপিএস হয়েছে ১৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৪৫ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বিডি অটোকারসের ইপিএস হয়েছে ১৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।

৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটিরএনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৪১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বিডি অটোকারসের ইপিএস হয়েছে ৫২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৩০ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিডি অটোকারস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৬ পয়সায়।

১৯৮৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিডি অটোকারসের অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪ কোটি ৩২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসান ১ কোটি ১০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৩ লাখ ২৬ হাজার ১৩। এর ৩০ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৭৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৩ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও